ঢাকা, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
আপডেট : ১ আগস্ট, ২০১৮ ১৫:৫৬

যা আছে শিক্ষার্থীদের ৯ দাবিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক
যা আছে শিক্ষার্থীদের ৯ দাবিতে

বাস চাপায় রাজধানীর শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড করেজের দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তৃতীয় দিনের মতো আন্দোলন করছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল থেকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নিয়ে তারা অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে রাজধানীর যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। আর তার ছাপ পড়েছে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের প্রধান মহাসড়কগুলোতেও। আন্দোলনরত শিক্ষাথীরা বলছেন, তাদের ঘোষিত নয় দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা যে নয় দাবিতে আন্দোলন করছে সেগুলো হলো- বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো ড্রাইভারকে ফাঁসি দিতে হবে এবং এই বিধান সংবিধানে সংযোজন করতে হবে; নৌপরিবহন মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে; ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় চলাচল বন্ধ ও লাইসেন্স ছাড়া চালকরা গাড়ি চালাতে পারবেন না এবং বাসে অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়া যাবে না।

দাবিতে আরো আছে- শিক্ষার্থীদের চলাচলে এমইএস ফুটওভারব্রিজ বা বিকল্প নিরাপদ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে; প্রত্যেক সড়কে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় স্পিডব্রেকার দিতে হবে; সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ছাত্রছাত্রীদের দায়ভার সরকারকে নিতে হবে; শিক্ষার্থীরা বাস থামানোর সিগন্যাল দিলে থামিয়ে তাদের নিতে হবে এবং শুধু ঢাকা নয়, সারাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

উল্লেখ্য, রবিবার রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে জাবালে নূর বাসের চাপায় শহিদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনম্যান্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। এরপর শিক্ষার্থীরা এ ঘটনার বিচারের দাবিসহ ৯ দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। টানা আন্দোলনের চতুর্থ দিন আজ। এরই মধ্যে বৃষ্টি উপেক্ষা করে শাহবাগ অবরোধ করে রেখেছেন কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। ফলে রাজধানীর যান চলাচল কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

গত তিনদিনই শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। এসময় আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে আগুন দেয়া হয়। এদিকে বেপরোয়া ও লাইসেন্সবিহীন চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

উপরে