ঢাকা, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
আপডেট : ১ আগস্ট, ২০১৮ ১৬:১৫

আরও কয়েকটি জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে আন্দোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরও কয়েকটি জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে আন্দোলন

বাস চাপায় রাজধানীর শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় তৃতীয় দিনের মতো আন্দোলন করছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল থেকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নিয়ে তারা অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছেন। তোলপাড় সৃষ্টি করা এ দুর্ঘটনা পরবর্তী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আরও কিছু জেলায়। ৯ দফা দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ-মিছিল হয়েছে বিভিন্ন জেলাতেও।

দুই শিক্ষার্থী নিহতের জেরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ-মিছিল বের করে। বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বন্দরনগরীর বেশ কয়েকটি সড়কে তারা মিছিল করে বলে  জানিয়েছে।

বিক্ষোভ মিছিলে তারা ৯ দফা দাবি তুলে ধরে দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানায়। একইসঙ্গে নৌমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে তার পদত্যাগ দাবি করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

একই দাবিতে আন্দোলনে নামে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেয় তারা। একই দাবিতে গাজীপুর-ময়মনসিংহ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।

এছাড়া বরিশাল শহরে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। তারা দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় অভিযুক্ত চালক-সহকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

এদিকে টানা তৃতীয় দিনের সড়ক অবরোধের ফলে রাজধানীর যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। আর তার ছাপ পড়েছে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের প্রধান মহাসড়কগুলোতেও। আন্দোলনরত শিক্ষাথীরা বলছেন, তাদের ঘোষিত নয় দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

উল্লেখ্য, রবিবার রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে জাবালে নূর বাসের চাপায় শহিদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনম্যান্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। এরপর শিক্ষার্থীরা এ ঘটনার বিচারের দাবিসহ ৯ দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। টানা আন্দোলনের চতুর্থ দিন আজ। এরই মধ্যে বৃষ্টি উপেক্ষা করে শাহবাগ অবরোধ করে রেখেছেন কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। ফলে রাজধানীর যান চলাচল কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

গত তিনদিনই শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। এসময় আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে আগুন দেয়া হয়। এদিকে বেপরোয়া ও লাইসেন্সবিহীন চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

উপরে