ঘুষের অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে দুদক
অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো উপ-অঞ্চলের আওতায় লালবাগ, কোতোয়ালি ও সূত্রাপুর সার্কেল পরিদর্শন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদক অভিযোগ কেন্দ্রের (১০৬) ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ পেয়ে বুধবার দুদকের এ অভিযানের কথা নিশ্চিত করেন দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে পুলিশসহ ছয় সদস্যের একটি দল ওই কার্যালয় পরিদর্শনে যায় বলে জানান প্রণব।
জাহিদ কালাম জানান, বিভিন্ন ক্লাব ও বার-এর লাইসেন্সিংয়ের শর্তাবলি ভঙ্গ করা হচ্ছে এবং এসব সামগ্রী আমদানি-রপ্তানির কোনো রেকর্ড নেই। ফলে এসব ক্লাব-বারের ওপর অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল।
প্রণব জানান, দুদক টিম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ওই দপ্তরের রেকর্ডপত্র যাচাই করে এবং দৈবচয়ন পদ্ধতিতে পর্যবেক্ষণ করে। তাতে দেখা যায়, উদ্ধারকৃত মাদকের প্রকৃত সংখ্যার সঙ্গে নথিতে লিপিবদ্ধ সংখ্যার পার্থক্য রয়েছে। এসব অনিয়ম দূর করতে দপ্তরের উপপরিচালককে পরামর্শ দেয় দুদক টিম।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক দুদক টিমের উদঘাটিত অনিয়মগুলো দূর করতে শিগগির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন দুদককে।
এনফোর্সমেন্ট অভিযানের সমন্বয়কারী দুদকের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, ‘দেশকে মাদকের আগ্রাসন থেকে রক্ষা করতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যক্রমে অধিকতর শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা আনা প্রয়োজন। সে লক্ষ্যে এ নজরদারিমূলক কার্যক্রম চালিয়েছে দুদক।’
