ঢাকা, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
আপডেট : ২ আগস্ট, ২০১৮ ২২:২৩

‘ছাত্রদের মধ্যে দলের লোক ঢুকে গেছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘ছাত্রদের মধ্যে দলের লোক ঢুকে গেছে’

আজ আমরা সারাদিন মিরপুর-১০ এ ছিলাম। খুব ভালোভাবে চলতেছে। সবাই নিয়ম মেনে চলতেছিল। ছাত্ররাও ভাঙা বা মারামারি, এমন কিছু করছিল না। ছেলে মেয়ে, বড় ছোট সবাই এক সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খুব ভালোভাবেই কাজ করছিল। আমাদের খাবার, পানি, জুস, আপেল, সবই বিভিন্ন কোম্পানির ভাইয়েরা দিয়েছেন। তাদের অনেক ধন্যবাদ ও ভালোবাসা।

হঠাৎ মিরপুর ১৪ পুলিশ ফাঁড়ি থেকে কয়েকটা মোটর সাইকেল এসে বলছে, মিরপুর ১৪ নম্বরে ছাত্রদের খুব মারছে। আমরা সবাই দৌড় দিয়ে মিরপুর ১৪ তে আসি। এসে দেখি খুব বড় তেমন কিছু না। তারপর দেখলাম আমাদের যারা খবর দিয়ে আনল তারা রাস্তার পাশে দাঁড়ানো একটা গাড়ি ভাঙছে।

ছাত্ররা একজনও ছিল না, যারা মোটর সাইকেল দিয়ে আমাদের খবর দিয়েছে তারা ভাঙছিল। ছাত্রদের ওরা না করছিল কিন্তু ওরা শুনেনি। উল্টা থানায় ইট মারতেছিল।

যখন কিছু পুলিশ বের হলো ওই যারা ভাঙছিল তারাই ‘ছাত্র ছাত্রীরা দৌড়াও, ভাগো ভাগো’ বলে আগে দৌড় দিল তখন ছাত্ররা কনফিউশনে পড়ে গেল। ওরা উল্টা দৌড় দিল।

ছাত্রদের মধ্যে কনফিউশন লাগিয়ে দিয়ে কিছু ছাত্র মার খেলো। কিন্তু যারা ভাঙছিল তাদের অনেকেই পুলিশের পাশে দাঁড়িয়েছিল অ্যান্ড পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিয়েছে।

যারা ভাঙছিল, পুলিশ তাদের কিছুই করল না। যারা স্কুল ড্রেস পরা ছিল তাদের ধরে ধরে মারছিল। স্কুল ড্রেস যাদের নাই তারা ধরিয়ে দিচ্ছিল। খুব জানতে ইচ্ছে করে স্কুল ড্রেসের প্রতি পুলিশের এত অভক্তি কেন?

আর যারা ভাঙছিল, ছাত্রছাত্রীদের কনফিউজড করে দিল তারা পুলিশের কেমন বন্ধু যে তাদের কিছুই করল না। কেউ কনফিউজড হবেন না। ছাত্রদের মধ্যে দলের লোক ঢুকে গেছে। তারা ছাত্রদের ভালো চায় না।

উপরে