মহাসড়কে ভরসা অটোরিকশা
নিরাপদ সড়কের দাবিতে সড়কে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে গাড়ি ভাঙচুর আর রাস্তা আটকে রাখার প্রতিক্রিয়ায় বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা। কিন্তু চাকা না ঘুরলে পেট চলবে না বহুজনের। তাই বিকল্প উপায় খুঁজতে হচ্ছে।
যাদেরকে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকার পথে আসতেই হবে, তারা চাপছেন ব্যাটারিচালিক অটোরিকশাসহ নানা ধরনের ধীর গতির তিন চাকার বাহনে।
এতে সময় যেমন বেশি লাগছে, তেমনি পথের কষ্টও বেড়েছে বহুলাংশে, বেশি লাগছে টাকা।
ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা যেতে যেখানে দেড়শ টাকা থেকে ২২০ টাকা বাসভাড়া, সেখানে ও হালকা যানবাহন চালককে তাদের দিতে হচ্ছে চারশ টাকা থেকে পাঁচশ টাকা পর্যন্ত ।
উত্তরবঙ্গসহ বিভিন্ন দূরপাল্লার বাসও বন্ধ রয়েছে। হালকা যেসব যানবাহন চলছে সেগুলো চাহিদার তুলনায় কম। ফলে দীর্ঘক্ষণ রোদে সড়কে দাঁড়িয়ে দাড়িয়ে থাকার ফলে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
গন্তব্যে যেতে মানুষজনকে দীর্ঘ সময় স্ট্যান্ডগুলিতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। একেকটি গাড়ি আসলে বাদুড় ঝোলা হয়ে যাচ্ছেন তারা।
ঢাকাগামী আহমেদ শাকিল নামের একজন যাত্রী জানান, ময়মনসিংহ - ঢাকা মহাসড়কে মাছরাঙ্গা নামে পরিচিত গাড়ি ও তিন চাকার আটোরিকশা চলাচল করছে।
শুক্রবার থেকেই এই রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে পরিবহণ মালিক-শ্রমিকরা। মালিকরা বলছে, সড়কে ভাঙচুরের কারণে শ্রমিকরা বাস চালাতে চাইছেন না। যদিও শ্রমিকরা বলছেন, মালিকরা বাস নামাতে নিষেধ করেছেন।
জেলা মটরমালিক সমিতির নেতারা বলছেন, নিরাপদ সড়কের দাবির সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধ নেই। তবে একেবারেই দুর্ঘটনা ঘটবে না, এটা নিশ্চিত করা কীভাবে সম্ভব? তবে আইন কানুনের প্রয়োগে পরিস্থিতি সহনীয় কর যায়। আর এতে দীর্ঘ সময় লাগবে, নানা বাস্তবতার বিষয়টিও বিবেচনায় আনা উচিত।
