ঢাকা, বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০১৮ ১৮:৩০

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ জানালেন বাসযাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ জানালেন বাসযাত্রীরা

গাবতলী আন্তজেলা বাস টার্মিনাল আকস্মিক পরিদর্শনকালে ঘরমুখী যাত্রীদের কাছে ক্ষোভের কথা শুনলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান কামাল।

যাত্রীদের অভিযোগ কাউন্টারে অতিরিক্ত টাকা ছাড়া টিকিট মিলছে না। নিকট দূরত্বের যাত্রীরা পড়েছেন আরও বিপাকে। ৪০-৬০ টাকার ভাড়া নেয়া হচ্ছে দেড়শ-দুইশ টাকা।

সোমবার (২০ আগস্ট) বিকেল ৪টায় রাজধানীর আন্তজেলা বাস টার্মিনাল ও গাবতলীর পশুর হাট পরিদর্শন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. জাবেদ পাটোয়ারী ও ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জমান মিয়া।

টার্মিনালে যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময়কালে যাত্রীরা বাস সংকটের কথা জানান। পাশাপাশি কাউন্টারে বাড়তি ভাড়া নেয়ার অভিযোগও করেন। বাড়তি টাকা ছাড়া টিকিট মিলছে না। একাধিক যাত্রীর কাছে এমন অভিযোগ শুনে সমাধানের আশ্বাসও দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বাস টার্মিনাল ও পশুর হাট পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী বলেন, ঈদের সময় সবাই বাড়ি যায়। ঈদে ঘরমুখী মানুষ যাতে অস্বস্তিতে না পড়ে, তারা যেন সুন্দর মতো পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে পারে সে চেষ্টা করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও টিকিটের স্বল্পতা রয়েছে।

‘টিকিট নেই বলা হলেও এখন টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। ভাড়াও নেয়া হচ্ছে বেশি’ এ নৈরাজ্যের ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক কাউন্টারের সামনে ভাড়ার চার্ট টাঙানো হয়েছে। আমরা সবাইকে বলেছি- অভিযোগ পেলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তবে বাস মালিক সমিতির লোকজনও আমাদের সঙ্গে ছিলেন। বেশি দামে টিকিট বিক্রির কথা শুনে তারা খুব অবাক হয়েছেন। এটা কাউন্টারের লোকজন ঘটিয়েছে। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ ও মালিকপক্ষকে বলা হয়েছে।

ট্রাফিক অব্যবস্থাপনা ও পরিবহন নৈরাজ্যের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, লাখ লাখ মানুষ গাবতলীতে আসছে। বাস আসতেও সময় লাগছে। আশা করছি, সময়মত সবাই গন্তব্যে যেতে পারবে। রোজার ঈদে এ সমস্যা না থাকলেও কোরবানিতে হচ্ছে। একমুখী চলাচলের ব্যবস্থার পরও গরুর রাস্তা পারাপার ও গরুর গাড়ি চলাচলে একটু সমস্যা তো হচ্ছেই।

‘কোরবানির হাটে লাখ লাখ টাকার লেনদেন ও আনা নেয়া হচ্ছে। স্বাচ্ছন্দ্যে টাকা আনা-নেয়ার ক্ষেত্রে পুলিশ কি ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার আলাদা আলাদা মিটিং করেছেন। মন্ত্রণালয়েও মিটিং হয়েছে। কোরবানির হাটকেন্দ্রিক স্বস্তির পরিবেশ তৈরিতে পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। গরুর ক্রেতা ও বিক্রেতারা যেন সমস্যায় না পড়েন- পুলিশ র‌্যাব সে ব্যবস্থা নিয়েছে। যারা নগদ টাকা লেনদেন ও বহনে সমস্যা মনে করছেন তারা চাইলে পুলিশ সহযোগিতা করবে। জাল টাকা শনাক্তে মেশিন বসানো হয়েছে। সাদা ও পোষাকে নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে। ব্যাংকে ও বুথে লেনদেনে নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে। আমরা মনে করি, ধীরে ধীরে নিরাপত্তা বাহিনী আরও সক্ষমতা ও দৃঢ়তা অর্জন করতে পেরেছে।

উপরে