মুক্তিযুদ্ধে ভারত ও ভুটানের অবদান স্মরণ করলেন স্পিকার
মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত ও ভুটানের অবদানের কথা স্মরণ করে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন, বাংলাদেশের সাথে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিদ্যমান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশগুলোর মধ্যে ভারত ও ভুটান অন্যতম।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে ভারত ও ভুটানের ফরেন সার্ভিসের নবীন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।
বাংলাদেশে আগত ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎকালে সংসদীয় কার্যক্রম, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ভারত ও ভুটানের সাথে দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত আদর্শ সোয়াইকাসহ সংসদ সচিবালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় প্রতিনিধিদল টানা তৃতীয়বার স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে অভিনন্দন জানান। তারা বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের আথিতেয়তার প্রশংশা করেন।
সাক্ষাৎকালে স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হতে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ, ধারাবাহিকভাবে ৭ শতাংশের উপর প্রবৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্রের হার ৪০ শতাংশ থেকে ২২ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। যা আমাদের অর্থনেতিক সক্ষমতার প্রমাণ বহন করে।
তিনি আরো বলেন, সংসদীয় কার্যক্রমে বাংলাদেশ, ভারত ও ভুটানের পার্লামেন্টের সামঞ্জস্য রয়েছে। পারস্পরিক সফর ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দেশগুলোর সাথে বিদ্যমান সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে এ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো সুদৃঢ় হবে।
