প্রভাবশালীদের কারণে কেমিক্যাল ব্যবসা সরানো যায়নি: এইচ টি ইমাম
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন, চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডে সংশ্লিষ্টরা দায় এড়াতে পারে না। চকবাজারে প্রভাবশালীরা নাকি কেমিক্যাল ব্যবসা করেন। আর এসব প্রভাবশালীদের দ্রুত সময়ে খুঁজে বের করা দরকার।
রোববার দুপুরে পরিসংখ্যান ব্যুরোতে ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ : পরিসংখ্যানের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এইচ টি ইমাম বলেন, প্রভাবশালীদের কারণে কেমিক্যাল ব্যবসা সরানো যায়নি। পুলিশের উচিত ছিলো প্রভাবশালী মহলকে খুঁজে বের করা। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা সঠিক দায়িত্ব পালন করেনি।
কেমিক্যাল কারখানার বিষয়ে পরিসংখ্যান ব্যুরোর কোনো কাজ না থাকায় এইচ টি ইমাম বলেন, সম্প্রতি চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। এর সঙ্গেও বোধহয় আপনারা সম্পৃক্ত আছেন। কীভাবে? চকবাজারে এতগুলো দালানকোঠা এবং সেখানে নিষিদ্ধ কতগুলো নানারকম রাসায়নিক পদার্থ আছে। কিছু কিছু অতি দাহ্য, মারাত্মক এবং খুবই ক্ষতিকারক। সরকারের বিভিন্ন সময়ে বাধা-নিষেধ সত্ত্বেও তারা তাদের নির্দিষ্ট জায়গায় যাননি। সেগুলো কীভাবে ওখানে থাকল? আপনারা কী হিসাব করেছিলেন?
এইচ টি ইমাম বলেন, ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্ব ছিলো চকবাজারের আগুন সংক্রান্ত কোনো সমস্যা ছিল কিনা খুঁজে দেখা। যারা ট্রেড লাইসেন্স দিয়েছে তাদের উচিত ছিলো সঠিক ব্যবসা হচ্ছে কিনা সেটি তদারকি করা। পরিবেশ অধিদপ্তরের কিছু দায় আছে, কারণ একটা পাইপ লিক হলেও পরিবেশের ক্ষতি হয়।
তিনি বলেন, অনেক চেষ্টা করে হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি সাভারে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেই ট্যানারি এখন ঢের বেশি পরিবেশের ক্ষতি করছে। আগে বুড়িগঙ্গা নষ্ট করেছে, এখন ধলেশ্বরীর বারোটা বাজাচ্ছে। পরিসংখ্যান ব্যুরোকে সাভারে যেতে হবে কি পরিমাণে ক্ষতি হচ্ছে তার হিসেব করা। শুধু গণনা করলে হবে না, তথ্য ব্যবস্থাপনায়ও জোর দিতে হবে।
পুলিশকে দোষারোপ করে তিনি বলেন, পুলিশ তো সময়মতো দেখেনি। এখন বলা হচ্ছে, প্রভাবশালী মহলের কারণে সেখান থেকে কেমিক্যাল ব্যবসায়ীদের সরানো যায়নি। তারা কারা? তাদেরকে তো খুঁজে বের করা উচিত ছিল।
কোনো বিষয়ে শুধু পরিসংখ্যান থাকলেই হবে না, সঠিক তথ্য ব্যবস্থাপনাও থাকতে হবে বলে উল্লেখ করেন এ রাজনীতিক।
