ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
আপডেট : ৯ এপ্রিল, ২০১৯ ১২:০৮
কোটি কোটি টাকা ব্যয়ের পরও দমন হচ্ছে না মশা

অসহায় রাজধানীবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক
অসহায় রাজধানীবাসী

 

মশা মারতে ঢাকার দুই সিটি করপোশেনের কোটি টাকা বরাদ্দ, বিশেষ অভিযানসহ সব পদক্ষেপেই হার মানছে মশার দাপটের কাছে। ক্ষতিকর কয়েলসহ অন্যান্য রাসায়নিক ব্যবহারে বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি। চিকিৎসকদের আশংকা, এখনি কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বর্ষা মৌসুমে মশাবাহিত রোগ মহামারি রূপ নিতে পারে। হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে মশা নিধনের ওষুধ ছিটানোর আধা ঘণ্টা পর থেকেই শুরু হয় মশার উৎপাত। বিপুল পরিমাণ জলাশয় এবং খোলা জায়গার কারণে বিমানবন্দর যেনো মশার অভয়ারণ্য। এখানে জন্ম নেয়া মশা ছড়িয়ে পড়ে উত্তরাসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায়। উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার ১২৯ ওয়ার্ডের মধ্যে মশা দমন অভিযান চলে মাত্র ৯৬টিতে। ওয়ার্ড প্রতি ৪-৫ জন কর্মী কাজ করে বলে সব জায়গায় প্রয়োজনীয় পরিমান ওষুধ ছেটানো সম্ভব হয় না। ফলে জলাশয় আর ড্রেনে মশার উপস্থিতি বাড়ছে ব্যাপক হারে। স্থানীয়রা বলেন, ওষুধ ছিটানোর পর যে ধোঁয়া নাকে মুখে যায় তা খুবই ক্ষতিকর। ২৪ ঘণ্টা মশারী লাগিয়ে রাখতে হয়। মশায় যন্ত্রণায় থাকা যায় না। উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. সাব্বির আহম্মেদ খান বলেন, ম্যালেরিয়া, চিকুন গুনিয়ার মতো বিভিন্ন ভাইরাস মানব দেহের ক্ষতিসাধণ করে। বর্ষায় এটি মহামারি আকার ধারণ করার সম্ভাবনা রয়েছে। মশা দমনে দক্ষিণ সিটি ২৬ কোটি টাকা এবং উত্তর সিটিতে ২১ কোটি টাকা বরাদ্দ আছে। ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাকির হাসান বলেন, আমরা যে জায়গাগুলো পরিস্কার করি ১/২ মাস পরে কচুরিপানা বা ময়লা আর্বজনায় আবার পরিপূর্ণ হয়ে যায়। কর্মীর সংখ্যা স্বল্প পরিমাণে আছে। পাড়া মহল্লার বাসাবারিসহ নির্মানাধীন ভবন ও মশা জন্মানো স্থানগুলো পরিচ্ছন্ন রাখতে নগরবাসীদের সহায়তা চান নগর কর্তৃপক্ষ।

উপরে