ঢাকা, বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬
আপডেট : ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৯:৪৩

ডিএনসিসির ৪৩ নং ওয়ার্ডের সকলের প্রিয় মুখ আলহাজ্ব আব্দুল গাফ্ফার

হাফিজুর রহমান
 ডিএনসিসির ৪৩ নং ওয়ার্ডের সকলের প্রিয় মুখ আলহাজ্ব আব্দুল গাফ্ফার

রাজধানী ঢাকার খিলক্ষেত থানাধীন ডুমনী ইউনিয়নের আলহাজ¦ আব্দুল গাফ্ফার তাঁর সততা, বন্ধুবাৎসল্য, বিন¤্রতা, স্থানীয় জনগণ তথা দেশের মানুষের প্রতি প্রগাঢ় মমত্ববোধের মধ্য দিয়ে, যেনো এক জীবন্ত কিংবদন্তী হয়ে উঠেছেন। মেহনতী মানুষের দুর্দিনে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে, তাদের পরিবারেরই একজন হয়ে ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন বারংবার। বাল্যকাল থেকেই তাঁর মহৎপ্রাণ পিতা, মরহুম আলহাজ¦ মোহাম্মদ আলীর সাহচর্যে, মানুষকে ভালবাসার যে দীক্ষা তিনি পেয়েছেন, অদ্যাবদি তা হৃদয়ে ধারণ করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। ছাত্রজীবনে সরকারী তিতুমীর কলেজে অধ্যয়নকালেও তিনি সহপাঠী বন্ধু-বান্ধবীদের নিকট ছিলেন একজন সজ্জন ব্যক্তি। ছাত্র-বন্ধু লাইব্রেরীর মাধ্যমে শিক্ষার বিস্তারে রেখেছেন অনন্য ভূমিকা। রাজনীতি সচেতন আলহাজ¦ আব্দুল গাফ্ফার ১৯৯১ সালে ডুমনী ইউনিয়ন (বর্তমানে ৪৩ নং ওয়ার্ড) ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাজনীতিতে যোগদান করেন। ১৯৯৬ সালে পুনরায় ডুমনী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে বৃহত্তর বাড্ডা থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০০৩ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৩ বছর ডুমনী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে, বর্তমানে খিলক্ষেত থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যাচ্ছেন। একজন শিক্ষানুরাগী হিসেবেও তাঁর জুড়ী মেলা ভার। ২০১০-১১ সালে ডুমনী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষানুরাগী সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর, ২০১২ সাল থেকে পর পর ৪ বার ডুমনী উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। এছাড়াও তিনি ডুমনী নুর পাড়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি ও শিক্ষানুরাগী সদস্য ও ডুমনী পশ্চিম পাড়া বাইতুল জামে মসজিদ ও ডুমনী বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে ধর্মপ্রাণ মুসুল্লীদের সেবা প্রদান ও ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতিতে ব্যাপক ভূমিকা রেখে সমাজের সর্বস্তরে প্রশংসিত হচ্ছেন। একজন সৎ ও সফল ব্যবসায়ী হিসেবে ২০০১ সাল থেকে সরকারী সনদপ্রাপ্ত স্ট্যাম্প ভেন্ডার ও দলিল লেখক হিসেবে এলাকায় সুখ্যাতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে জনগনের কল্যাণে কিভাবে নিরলসভাবে কাজ করে যেতে হয়, তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ দেখিয়েছেন আলহাজ¦ আব্দুল গাফ্ফার। ডুমনী ইউনিয়নের তৎকালীন ৮ নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে তাঁর ওয়ার্ডকে করেছেন শতভাগ বিদ্যুতায়িত। বিনামূল্যে প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে বিদ্যুতের খুঁটি লাগিয়ে, ওয়ার্ডের প্রতিটি রাস্তা কার্পেটিং ও ইট সোলিং করে যাতায়াত ব্যবস্থায় এনেছেন আমূল পরিবর্তন। সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ,ইভটিজার, মাদকসেবীদের নিকট মূর্তিমান আতঙ্ক হিসেবে পরিচতি আলহাজ¦ আব্দুল গাফ্ফার স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দিরসহ এলাকার ব্রীজ কালভার্ট নির্মাণ করে ওয়ার্ডের যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে উদ্যোগী ও সোচ্চার ছিলেন সব সময়। অপ্রশস্ত ও ভাঙ্গাচোরা রাস্তাঘাট মেরামত করে জনগনের জীবনমানের উন্নয়নের লক্ষ্যে সদা সচেষ্ট তিনি। সুদীর্ঘ ১৬ বছর ৪ মাস জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, স্বামী পরিত্যাক্ত ভাতা, পঙ্গুত্ব ভাতা, মাতৃত্বকালীণ ভাতা প্রদানকালে কোনও অনিয়ম কিংবা দুর্নীতির আশ্রয় নেননি বলে, এলাকার সকলের নিকট একজন স্বচ্ছ ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে সকলের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৪৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে, ইতোমধ্যেই ভোটাররা নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনায়, তাঁদের প্রিয় আলহাজ¦ ‘আব্দুল গাফ্ফার ভাই’কে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে আলহাজ¦ আব্দুল গাফ্ফারের কাছে তাঁর অনুভূতি জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, ‘জনগনই আমার সকল ভালোবাসার একমাত্র অবলম্বন। তাঁদের ভালোবাসার প্রতিদান দেবার ক্ষমতা আমার নেই, কিন্তু তাঁদেরকে সেবা করে যেতে পারাটাই আমার জীবনের মূল লক্ষ্য। তাঁদের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাতেই ৪৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আমি একজন পদপ্রার্থী হিসেবে সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা করছি। নির্বাচিত হলে ভবিষ্যতে উন্নত নাগরিক সেবার শতভাগ যেনো নিশ্চিত করেতে পারি, সে লক্ষ্যে এখন থেকেই আমি কর্মপরিকল্পনা করে রেখেছি।’ 

 

উপরে