করোনায় ফের তৎপর পুলিশ!
আসন্ন ঈদ ঘিরে ঘরমুখো মানুষকে কেন্দ্র করে সারাদেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছ। সরকার বারবার নির্দেশ দেয়ার পরেও নিজ নিজ এলাকায় ফিরছিলেন রাজধানীর কিছু মানুষ। এতে শুধু সরকার নয়, সাধারণ মানুষও বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন।
ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি জেলায় ঢাকা নারায়ণগঞ্জ গাজীপুর ফেরত ব্যক্তিদের মধ্যে করোনার উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এরপরেও ঠেকানো যাচ্ছিল না ঘরমুখো মানুষদের। সড়ক-মহাসড়ক ও জেলার প্রবেশমুখগুলোতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকলেও বিভিন্ন আঁকাবাঁকা পথ দিয়ে ঠিকই চলে যাচ্ছিল যে যার গন্তব্যে।
বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আইজিপি বেনজীর আহমেদ। তিনি বলেছেন এবার ঈদে চাইলেও মানুষ গ্রামে যাইতে পারবে না। এছাড়া ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার ও দিয়েছিলেন কঠোর নির্দেশনা। তবে এতকিছুর পরেও ঠেকানো যাচ্ছিল না ঘরমুখো মানুষের। যার ফলে পুলিশও এবার কঠোর অবস্থানে গিয়েছে। রাজধানীর প্রবেশ ও বের হওয়ার পথে কঠোর অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে পুলিশকে।
দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা বলছেন যারা ঈদকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশে বাড়ি যাচ্ছেন তাদেরকে দেখে বোঝা যায়। এর বাইরে যারা বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ঢাকার বাইরে যেতে চাচ্ছেন তাদের ক্ষেত্রে আমরা কিছুটা নমনীয় হচ্ছি। তবে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি যাতে মানুষ রাজধানীর বাইরে যেতে না পারে।
তবে এত নিরাপত্তার মধ্যেও একশ্রেণীর মানুষ রাজধানী ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে রাজধানী ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। তারা চেক পোস্টগুলো পায়ে হেঁটে বেরিয়ে গিয়ে তারা ছোট ছোট যানবাহন করে যে যার গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছে। পুলিশ বলছে কেউ যদি পায়ে হেঁটে যায় সে ক্ষেত্রে চাইলেও আমরা বাধা দিতে পারি না।
এর বাইরে দূরপাল্লার যাত্রীরা রাজধানী ছেড়ে যাওয়ার জন্য সবজির ট্রাকের উপর নির্ভর করছে। এজন্য গভীর রাতে ট্রাকচালকদের সাথে কথা বলে যে যার গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
ঢাকা মহানগর পশ্চিম ট্রাফিক বিভাগের এসি জাহাঙ্গীর আলম বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন আমাদের উচ্চ পর্যায় থেকে কঠোর নির্দেশ যেন কোনোভাবেই রাজধানী থেকে মানুষ বেরিয়ে না যেতে পারে। এজন্য আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। প্রত্যেকটি যানবাহন ও ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। যদি কোনো যানবাহন অহেতুক যাত্রী পরিবহন করে সে ক্ষেত্রে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে।
