সৌদির সাথে মিল রেখে বিরামপুরে ঈদ
বাংলাদেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ-উল ফিতর সোমবার উদযাপনের কথা থাকলেও সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দুইটি ইউনিয়নে রবিবার ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঈদের একদিন আগে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড
রোববার সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া বাজার জামে মসজিদে মাওলানা ইলিয়াস আলী ও সকাল ৮টায় জোতবানী ইউনিয়নের খয়েরবাড়ি-মির্জাপুর জামে মসজিদে মাওলানা দেলোয়ার হোসেন কাজী এ দুটি জামাতে নামাজ পড়ান।
সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার প্রায় ১০টি গ্রাম থেকে মোটরসাইকেল ভ্যানযোগে ও পায়ে হেঁটে ৬৫ জন পুরুষ ও ২৩ জন নারীসহ মোট ৮৮ জন মুসল্লি এ দুটি ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করেন।
খয়েরবাড়ি-মির্জাপুর জামে মসজিদে ঈদের জামাতের ইমাম মাওলানা দেলোয়ার হোসেন কাজী বলেন, সৌদি আরবের সাথে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য মাত্র তিন ঘণ্টা। আর তিন ঘণ্টার কারণে পুরো দিনকে পাথর্ক্য করতে পারে না। তাই আমরা ঈদের নামায আদায় করলাম সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে।
তিনি আরো জানান, ১৯৯৭ সাল থেকে এভাবে নামাজ আদায়ের পরিকল্পনা থাকলেও ২০১৩ সাল থেকেই আমরা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করছি। বিগত বছরের তুলনায় এবারের জামাতে মুসল্লি উপস্থিতি বেশি হয়েছে।
বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে আজ বিরামপুর উপজেলার দুইটি গ্রামের মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নামাজ পড়াকে কেন্দ্র করে সেখানে যাতে কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সেজন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
