ঢাকা, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৯

অবশেষে পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
অবশেষে পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। এ সময় তিনি তাঁর মূল পদ উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের গ্রেড-১ অধ্যাপকের পদে ফেরার আবেদন করেন।

আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ আবেদনপত্র জমা দেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এসময় শিক্ষামন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা, শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে করণীয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে উপাচার্যের মতামত জানতে চান এবং এক্ষেত্রে তাঁর সহযোগিতা কামনা করেন।

উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বৃহত্তর শিক্ষাখাতের উন্নয়নে অব্যাহতভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী দেশের ক্রান্তিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় উপাচার্যকে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চান বলে জানিয়েছিলেন। নির্বাচনের আগ মুহূর্তে তিনি বলেছিলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি হঠাৎ করে কোনো শূন্যতা সৃষ্টি করছি না, পদত্যাগ করে চলে যাচ্ছি না। আমি সরকারকে একটি সুযোগ দিচ্ছি—তারা যেন প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসন সাজিয়ে নিতে পারে। তবে ধারাবাহিকতা রক্ষার বিষয়ে আমার একটি বিশেষ অনুরোধ থাকবে।

এটি জাতির বিশ্ববিদ্যালয়—কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়।’

উপাচার্য তখন আরো বলেছিলেন, ‘আমরা ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের শেষের দিকে এক ক্রান্তিকালীন ও বিশেষ পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা ছিল অত্যন্ত সংকটাপন্ন। একাডেমিক কার্যক্রম কার্যত বন্ধ ছিল, হলগুলো ছিল অনিশ্চিত অবস্থায়, আর প্রশাসনিক কাঠামো ছিল প্রায় অচল। সেই আপৎকালীন পরিস্থিতিতে আপনাদের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের প্রথম ও প্রধান কাজ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম ফের চালু করা এবং প্রতিষ্ঠানটিকে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে নিয়ে আসা।

উপরে