ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
আপডেট : ২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:০৫

এলাকার সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন করছেন সংসদ সদস্যরা, উত্তর দিচ্ছেন মন্ত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
এলাকার সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন করছেন সংসদ সদস্যরা, উত্তর দিচ্ছেন মন্ত্রীরা
সংসদে স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশনে নিজস্ব এলাকার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন করছেন সংসদ সদস্যরা (এমপি)। এর জবাব দিচ্ছেন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজ ইন্তেকাল করায় সংসদ পরিচালনা করছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

 

রোববার (২৯ মার্চ) বেলা ৩টায় এ অধিবেশন শুরু হয়। 

সংসদে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে নিজ নিজ এলাকার খেলার মাঠ, বিকেএসপি তৈরির দাবি জানানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন তুলছেন এমপিরা। জবাবে প্রতিমন্ত্রী খেলার মাঠ ও খেলোয়াড় তৈরির বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন। যুব সমাজকে মোবাইল ফোন আসক্তি থেকে বের করে আনার লক্ষ্যে পাঠ্যপুস্তুকে ও সিলেবাসে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করে নম্বর প্রদানের পদ্ধতি করা হবে। এ ছাড়া প্রত্যেক এলাকায় যেখানে খালি জায়গা পাওয়া যাবে, সেখানে মাঠ তৈরি করা হবে।

সংসদে স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।  

গত ১৫ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ২৯ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করা হয়েছিল। এই মুলতবি অধিবেশন অবশ্য উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন’ এবং ‘গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫’ নিয়ে। বিরোধীদল জামায়াতসহ তাদের জোটের সদস্যরা এ বিষয়ে আলোচনার দাবি করেছেন। ইতোমধ্যে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে একাধিক নোটিশ জমা দেওয়া হয়েছে বলে সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে।

এ ছাড়া দিনের কর্মসূচিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, নির্বাচন কমিশন কার্যালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রশ্নোত্তর পর্ব রয়েছে। জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের (বিধি-৭১) আওতায় প্রাপ্ত নোটিশগুলোর নিষ্পত্তি হয়েছে। এবারের অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছিল গত ১২ মার্চ। প্রথম দিনে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন। বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যদের মধ্যে ১১ জন বিএনপি, তিনজন জামায়াতের। ১৩৩টির মধ্যে ১১৩টি অধ্যাদেশে ইতোমধ্যে একমত হয়েছে সরকারি ও বিরোধী দল। বাকি ২০টি অধ্যাদেশ নিয়ে কমিটির তৃতীয় বৈঠক আজ রাতে অনুষ্ঠিত হবে।

সংবিধান অনুযায়ী, অধ্যাদেশ পাশ না হলে ৩০ দিনের মধ্যে তা বাতিল হয়ে যাবে। তাই আগামী ১২ এপ্রিলের মধ্যে অধ্যাদেশগুলো পাশ হতে হবে।

উপরে