ঢাকা, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৫

আমেরিকার রোজা যেন সত্যি বিষাদে মোড়ানো, কেন বললেন জায়েদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আমেরিকার রোজা যেন সত্যি বিষাদে মোড়ানো, কেন বললেন জায়েদ
জায়েদ খান। ছবি: সংগৃহীত

ঢালিউড অভিনেতা জায়েদ খান ঢালিপাড়ার অন্যতম আলোচিত ও বিতর্কিত অভিনেতা। তিনি অভিনয়ের চেয়ে ব্যক্তিগত ও সামাজিক মাধ্যমে নানা কর্মকাণ্ডের (ডিগবাজি দেওয়া) জন্য বেশ আলোচনায় থাকেন। আর বিনোদন জগতের তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের কৌতূহল থাকে বরাবরই। এবার প্রবাস জীবনে থেকেও রমজানে তার অনুভূতির জানালেন।

প্রায় দুই বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন অভিনেতা জায়েদ খান। সেখানেও কাজের ব্যস্ততার মধ্যেই রোজা পালন করছেন তিনি। রমজানে মুসলিম তারকারাও নিয়মিত রোজা রাখেন। শুটিংয়ের ব্যস্ততার মধ্যেও ইবাদতে সময় দেন। রোজা নিয়ে তাদের থাকে নানা মধুর ও ব্যক্তিগত স্মৃতি। সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে রমজানের রোজা নিয়ে নিজের দর্শন ও উপলব্ধির কথা জানালেন আলোচিত নায়ক জায়েদ খান, আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। রোজার জন্য প্রস্তুত নিচ্ছি।

এ অভিনেতা বলেন, এখানে সময়, পরিবেশ ও মানুষ— সবকিছুই আলাদা। তবু নিজের ভেতরে একটা চেষ্টা অনুভব করলাম যে রোজা রাখতেই হবে। এ অনুভূতিটা একজন মুসলিম হিসেবে দারুন লেগেছে আমার কাছে। আর এখানে বাংলাদেশের একদিন আগেই শুরু হয়েছে রমজান। কারণ এরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিলিয়ে রোজা রাখে। দোয়া চাই, যেন দেশের মতোই রমজানকে ধারণ করতে পারি।

এখন তো মনে হয় ভোর রাত। সেহরি কি শেষ? উত্তরে জায়েদ খান বলেন, না, সেহরির প্রস্তুতি নিচ্ছি। একটু পরেই খাব। দেশে থাকলে এই সময়টাতে বাসায় একটা অন্যরকম আমেজ থাকত। মায়ের হাতের নানা পদের রান্নার সুগন্ধ, ভাই-বোনদের ঘুম ঘুম মুখ, আজানের অপেক্ষা… এখানে সেই কোলাহল নেই। নেই মাইকে ডেকে দেওয়ার শব্দ। চারপাশটা অনেক বেশি শান্ত। ভেতরে ভেতরে একটা শূন্যতাও কাজ করে।

তাহলে দেশকে খুবই তো মিস করছেন। তিনি বলেন, খুব... বাংলাদেশে থাকলে রোজার যে আলাদা একটা ফিলিংস পেতাম, সেই আবহটা এখানে পাই না। ভাই-বোনদের খুব মিস করি। সহকর্মীদেরও মিস করি। দেশে থাকলে বিভিন্ন জায়গায় ইফতার পার্টিতে যেতাম। আর ঢাকায় থাকলে চেষ্টা করতাম বাসায় ইফতার করতে।

উপরে