রাজধানীতে ফিটনেসবিহীন গাড়ি ও লাইসেন্সবিহীন চালকদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। এ সময় সাতটি মামলা দেয়া হয়। কারাদণ্ড দেয়া হয় পাঁচ চালককে।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। অভিযানে শতাধিক যানবাহন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বাস লেগুনা ও মোটরসাইকেলে সাতটি মামলা দেওয়া হয়। বিভিন্ন অভিযোগে জরিমানা করা হয় এক লাখ ২০ হাজার টাকা। এছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় পাঁচ চালককে এক মাস করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এর মধ্যে তিনজন সিএনজি চালক, একজন পিকআপ চালক আর একজন লেগুনা চালক।
তবে দণ্ডিত চালকরা জানান, তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের লার্নার কার্ড আছে। এ ব্যাপারে বিআরটিএ কর্মকর্তারা জানান, লার্নার কার্ড প্রাথমিক একটা কার্ড। ওটা দিয়ে চালক কখনও যানবাহন নিয়ে মহাসড়কে উঠতে পারবেন না। আর কেউ যদি তা করে তাহলে সেটা আইনগত অপরাধ।এ অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ।
জানা গেছে, সকাল নয়টা থেকে বিআরটিএর একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে অভিযান শুরু করে। এ রাস্তা দিয়ে আসা পরিবহন, যেমন: বাস, লেগুনা, সিএনজিচালিত অটোরিকশার পাশাপাশি মোটরসাইকেল আটকিয়ে পরীক্ষা করা হয়। সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন।
বিআরটিএর অভিযানের কারণে রাজধানীতে গণপরিবহনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে রাজধানীবাসীকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় দাঁড়িয়েও কোনো যানবাহন না পেয়ে অনেকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যান।
রাজধানীর ফার্মগেট, উত্তরার হাউজ বিল্ডিং, কদমতলীর হানিফ ফ্লাইওভারের কাছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়েছে। সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।