logo
আপডেট : ৩ আগস্ট, ২০১৮ ১৭:০৮
‘ধর্মঘট নেই, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে গাড়ি চলবে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘ধর্মঘট নেই, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে গাড়ি চলবে’

রাজধানীর সঙ্গে দূরপাল্লা ও স্বল্প পাল্লার সব যানবাহন বন্ধ থাকলেও কোনো ধর্মঘট নেই বলে ঢাকাটাইমসকে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ।

গণপরিবহন খাতের অন্যতম নিয়ন্ত্রক এই বাস মালিক বলেন, ‘আমরা ধর্মঘটে যাই নই, সারাদেশে গত কয়েক দিনে গাড়ি ভাঙচুর, জ্বালাও-পোড়াও করা হচ্ছে। আর এসব কারণেই আমরা গাড়ি বন্ধ রেখেছি।’

গত রবিরার ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় নিহত হয় দুই শিক্ষার্থী। আর এর প্রতিক্রিয়ায় শিক্ষার্থীরা ব্যাপক বাস ভাঙচুর করে। পরদিন তাদের অবরোধেও ভাঙচুর হয় বেশ কিছু গাড়ি। মঙ্গলবার উত্তরায় পুড়িয়ে দেয়া হয় দুটি গাড়ি।

বুধবার থেকে ভাঙচুর কমলেও পরদিন আবার বেশ কিছু গাড়ি ভাঙার খবর এসেছে। আর ওইদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানান, মোট ৩১৭টি গাড়ি ভাঙচুর আর আটটি পোড়ানো হয়েছে।

শুক্রবারও রাজধানীর সড়কে্ আছে শিক্ষার্থীরা। আর এদিন কোনো ঘোষণা ছাড়াই দূরপাল্লার সব বাস বন্ধ রাখা হয়। নগর পরিবহনেও বাস হাত গোনা।

তবে ধর্মঘটের কোনা ঘোষণা ছিল না। তাই টার্মিনালে গিয়ে ফিরতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে।

সেই সঙ্গে গত পাঁচ দিনে রাজধানীতে অচলাবস্থার মধ্যে আটকে যাওয়া কাজ সারতে যারা বের হয়েছেন, তারাও পড়েছেন দুর্ভোগে। রাস্তায় নেমে বাস না পেয়ে বেশি টাকা খরচ করে গাড়ি ভাড়া করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

পরিবহনের নৈরাজ্যের কারণে ফুঁসে ওঠা ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনের মধ্যে পরিবহন বন্ধ করতে গেলেন কেন?- জানতে চাইলে খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, ‘আমরা তো পরিবহন ধর্মঘটে যাই নাই, চারিদিকে গাড়ি ভাঙচুর, জ্বালাও পোড়াওয়ের কারণে আমাদের গাড়ি চালাতে পারছি না। এ বিষয়টি আমি আপনাকে এর আগেও বললাম, চারিদিকে এভাবে অরাজকতা চললে আমরা কীভাবে গাড়ি চালাব?’

‘পরিস্থিতি যখন স্বাভাবিক হবে, যখন কোথাও গাড়ি ভাঙচুর হবে না, তখন আমরা গাড়ি চালাব।’

ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম বলেন, ‘আমরা এই পরিস্থিতিতে সড়কে বাস নামাতে নিরাপদ বোধ করছি না। এভাবে বাস ভাঙচুর করলে, পুড়িয়ে দিলে আমরাও ক্ষতিগ্রস্ত হই।’

নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে কেবল চালক ঠিক হলেই চলবে না বলে মনে করেন এই পরিবহন নেতদা। বলেন, ‘সড়কে জায়গায় জায়গায় গর্ত। এগুলোও তো দুর্ঘটনার কারণ। সড়কও ঠিক করতে হবে।’

এর মধ্যে সকালে আবার যাত্রাবাড়ী এলাকায় পরিবহন শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ জানায়। তারাও যান চলাচলে বাধা দিয়েছে।


প্রকাশক/সম্পাদক: আবুল হারিস রিকাবদার
প্রকাশক ও সম্পাদক কর্তৃক প্রথম বাংলাদেশ/শিবপুর, নরসিংদী থেকে প্রকাশিত
ফোনঃ বার্তা-০১৭০০-০০০০০০, বিজ্ঞাপন-০১৯০০-০০০০০০, ই-মেইলঃ prothombangladeshnews@gmail.com