সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি বাস্তবায়নকে গতিশীল করতে ক্রাশ প্রোগ্রাম চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)। আগামী শনিবার থেকে শুরু হবে এই প্রোগ্রাম। চলবে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত।
সোমবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
সেতুমন্ত্রী বলেন, আগামী শনিবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ঢাকাসহ সারাদেশের বিআরটিএ প্রতিষ্ঠানগুলো গাড়ির ফিটনেস যাচাই, লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন কার্যক্রম চালাবে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত তা চলবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এই কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, ‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এখন তা সংসদীয় কমিটিতে উত্থাপিত হবে। সেখান থেকে যাচাই-বাছাই শেষে জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হবে। সব স্টেকহোল্ডার ও সকলের সঙ্গে আলোচনা করে আইনটি জাতীয় সংসদে পাস করা হবে। এই আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে পাঁচ বছরের একটি বিধান রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ শাস্তির যে কথা বলা হয়েছে, সেটা অপরাধের মাত্রার ওপর নির্ভর করবে।
কাদের বলেন, আইনের প্যানাল কোর্টের ৩০২ ধারা মোতাবেক মৃত্যুদণ্ডের বিধান থাকবে, যদি সেটা হত্যার উদ্দেশ্যে তদন্তে প্রমাণিত হয়। রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে দুর্ঘটনায় নিহত দুই শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে ৩০২ ধারার বিধান প্রযোজ্য হতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, একেএম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, দফতরর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।