ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা ও যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানিয়েছেন।
ঈদযাত্রায় রাজধানীসহ সারাদেশে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় মনিটরিং কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী সেচ্ছাসেবক ও গণপরিবহনে ভাড়া নৈরাজ্য পর্যবেক্ষণ উপ-কমিটির সদস্যদের সাথে নিয়ে গত দুইদিন বিভিন্ন বাস টার্মিনাল, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ও কমলাপুর রেল স্টেশনে ঈদযাত্রা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে গণমাধ্যমে এ বিবৃতি পাঠানো হয়েছে বলা হয়।
বিবৃতিতে মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, দেশের সবক'টি জাতীয় মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন লক্কড়-ঝক্কড় যানবাহনের পাশাপাশি পণ্যবাহী ট্রাক, মিনি ট্রাক, হিউম্যান হলার, মোটরসাইকেল এমনকি নছিমন-করিমনেও দূরপাল্লায় যাত্রী বহন করা হচ্ছে। ফিটনেসবিহীন যানবাহন দ্রুত গতির যানবাহনের সাথে পাল্লা দিয়ে চলার কারণে মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও যানজট দেখা দিচ্ছে।
অনতিবিলম্বে ঈদযাত্রায় ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও লাইসেন্সবিহীন অযোগ্য চালক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া না গেলে এবারের ঈদেও মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘায়িত হবে বলে দাবি করা হয়।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব বলেন, ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য বন্ধ করা না গেলে ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও পণ্যবাহী পরিবহনে নিম্ন আয়ের লোকজনের যাতায়াত কোনোভাবেই ঠেকানো যাবে না।
তিনি আরও বলেন, সারাদেশে ৫ লক্ষাধিক যানবাহন ফিটনেসবিহীন, ১০ লক্ষ নছিমন-করিমন, ইজিবাইক সড়ক মহাসড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। গণপরিবহন সঙ্কটের কারণে ও কম ভাড়ার আশায় নিম্ন আয়ের লোকজন ফিটনেসবিহীন এসব যানবাহন, পণ্যবাহী যানবাহন, বাস ট্রেন ও লঞ্চের ছাদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে।