রাজধানীর পল্লবীতে পানির রিজার্ভ ট্যাংক বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জনের মধ্যে নানা-নাতনির মৃত্যু হয়েছে।
বিস্ফোরণে ৭২ শতাংশ পুড়েছিল দাদা সুরত আলীর। আর চার বছরের নাতনি মিলির পুড়ে যায় ৮৫ শতাংশ।
রোববার (২৬ আগস্ট) সকালে সুরত আলীর মারা যান। এর আগে শনিবার বিকেলে মারা যায় নাতনি মিলি। তারা ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিল।
গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মিরপুর-১২ নম্বরের পল্লবী থানাধীন ব্লক-ই এর লাইন-৪ এলাকার মোশারফ হোসেন নামে এক ব্যক্তির ছয় তলা বাড়ির নিচ তলায় রিজার্ভ ট্যাংক বিস্ফোরণে তারা দগ্ধ হয়।
ঘটনার পর পল্লবী থানার ইন্সপেক্টর অপারেশন ইমরানুল ইসলাম জানান, দগ্ধদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
রিজার্ভ ট্যাংক বিস্ফোরণে দগ্ধরা হলেন, সুরত আলী (৬০), তার স্ত্রী বেদানা বেগম (৫০), ছেলে রাব্বি (২১), তার স্ত্রী লাবনী (১৮), সুরত আলীর মেয়ে আলেয়া (৩০), তার মেয়ে মিলি (৪), বাড়ির মালিক মোশারফ হোসেন (৪৫) তার ছেলে জিসান (১৮) ও আত্মীয় আউয়াল হেসেন বাবু ওরফে আলমগীর (৩২)।
ইমরানুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানোর পর জানতে পারি তিতাসের একটি পাইপ লাইনে লিকেজ ছিল। এ কারণে পানির পাইপ দিয়ে গ্যাস নির্বাপণ হয়ে ট্যাংকিতে পৌঁছে। ওইদিন বাড়ির মালিকসহ অন্যান্যরা মোমবাতি জ্বালিয়ে ট্যাংকি চেক করার সময় বিস্ফোরণ হয়।
নিহতর সুরত আলীর ছেলে স্কুলছাত্র মো. শাকিল জানান, ঘটনার সময় ঈদের কেনাকাটার জন্য বাজারে ছিলাম। বাসায় ফিরে পরিবারে ছয়জনসহ মোট ৯ জন দগ্ধের খবর পাই।