logo
আপডেট : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৮:৩৭
বিএনপির পছন্দের তালিকায় যোগ হলো অ্যাপোলো
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির পছন্দের তালিকায় যোগ হলো অ্যাপোলো

দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে এতদিন বেসরকারি হাসপাতাল ইউনাইটেডে চিকিৎসা করানোর দাবি জানিয়ে এসেছে বিএনপি। তবে এবার তারা আরেক বেসরকারি হাসপাতাল অ্যাপোলোতে চিকিৎসার অনুমতি দেয়ার অনুরোধ করেছে। 

রবিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে দেখা করে বিএনপি নেতারা এই অনুরোধ করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেরকে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

বেলা দুইটার পর মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির সাত জন নেতা সচিবালয়ে যান। প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠকে পছন্দ হিসেবে দুটি হাসপাতালের নাম বলেন তারা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধদল আমাদের কাছে এসেছিলেন। তারা তাদের দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য বিষয়ে একটি লিখিত বক্তব্য আমাকে দিয়েছেন। তার স্বাস্থ্যের বিষয়ে বেশকিছু অনুরোধ করেছেন। তারা বলেছেন এখন বেশ অসুস্থ্য এবং এর মাত্রা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।’

‘তার চিকিৎসার জন্য এর আগে আবেদন করা ইউনাইটেড হাসাপাতালের পাশাপাশি নতুন করে আজ অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তির আবেদন করেছন।’

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বন্দী হওয়ার পর ২৮ মার্চ থেকে খালেদা জিয়ার অসুস্থতার তথ্য আসে। ৭ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেয়া হয় তাকে।

এরপর জুনে আবার দেশের প্রথম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসাপাতালে নেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয় বিএনপি নেত্রীকে। কিন্তু ইউনাইটেড ছাড়া আর কোথাও যাবেন না বলে জানিয়ে দেন খালেদা জিয়া।

এরপর খালেদা জিয়াকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে যেতে প্রস্তাব দেয় সরকার। কিন্তু সেটাও অগ্রাহ্য করেন তিনি। বিএনপি দাবি করে, তাদের নেত্রী যেসব রোগে আক্রান্ত, সেটির চিকিৎসা কেবল ইউনাইটেডেই সম্ভব।

এর মধ্যে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে আটকে যাওয়া জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচারে কারাগারেই বসানো হয় আদালত। আর এরপর বিএনপি নেতারা আবার তাদের নেত্রীকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসার দাবি জানিয়ে আসছেন। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা চেয়ে রিটও করা হয়েছে। 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে গত এপ্রিলেও বিএনপি নেতারা গিয়েছিলেন। তখনও ইউনাইটেডে নেয়ার অনুমতি  চান তারা। কিন্তু সে অনুমতি মেলেনি। আজও সুনির্দিষ্ট কোনো প্রতিশ্রুতি ছাড়া ফিরেছেন বিএনপি নেতারা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কারাবিধি ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এই কথা গত এপ্রিলেও জানিয়েছিলেন তিনি।


প্রকাশক/সম্পাদক: আবুল হারিস রিকাবদার
প্রকাশক ও সম্পাদক কর্তৃক প্রথম বাংলাদেশ/শিবপুর, নরসিংদী থেকে প্রকাশিত
ফোনঃ বার্তা-০১৭০০-০০০০০০, বিজ্ঞাপন-০১৯০০-০০০০০০, ই-মেইলঃ prothombangladeshnews@gmail.com