নির্দিষ্ট সময় পার হলে বেতন বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বস। কিন্তু সেই সময় পার হলেও বেতন বাড়েনি। বসকে বললে তিনি বেতন বাড়াতে অস্বীকৃতি জানান। পরে ক্ষুদ্ধ হয়ে বসকে খুন করেছেন ওই কর্মচারী।
আদালতে দায়ের করা অভিযোগপত্র থেকে জানা গেছে, বস ওই কর্মচারীকে এক হাজার দিরহাম থেকে বেতন বাড়িয়ে দেড় হাজার দিরহাম করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পার হলে তিনি বেতন বাড়াতে অস্বীকার করেন।
এরপরই ক্ষুদ্ধ হয়ে বসকে হত্যার পরিকল্পনা করেন ওই পাকিস্তানি। আসামী তার বন্ধুকে সাথে নিয়ে বাজার থেকে একটি মাংস কাটা ছুরি কেনেন। এরপর তার বসকে বলেন যে, তিনি শহরের বাইরে বন্ধুর থেকে কিছু জিনিস আনতে যাবেন। এসময় তিনি বসকেও তার সঙ্গে যাওয়ার অনুরোধ করেন। তিনি তার সহযোগীতা চান।
বস রাজি হলে বসের গাড়িতে করেই তারা দুজন রওনা হন। এরপর গাড়িতে থাকা অবস্থায়ই পেছন থেকে ছুরি দিয়ে বসের মাথায় ও ঘাড়ে আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এরপর আসামী গাড়ি চালিয়ে রাস্তার একপাশে রেখে বসের দুটি মোবাইল এবং ল্যাপটপ নিয়ে পালিয়ে যায়। পরেরদিন যথারীতি ওই আসামী তার কাজে যোগ দেন।
এরপর পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা গাড়ি ও লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ছুরি কেনার দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য আনুসঙ্গিক দিক তদন্ত করে খুনিকে চিহ্নিত করেন।
প্রথমে বসকে খুন করার কথা অস্বীকার করলেও জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন।