logo
আপডেট : ২৬ অক্টোবর, ২০১৮ ১২:৪৪
বাবার কাছে এলেই মন ভালো হয়ে যায়
প্রথম বাংলাদেশ ডেস্ক

বাবার কাছে এলেই মন ভালো হয়ে যায়

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টা। পশ্চিমাকাশে সূর্য ডুবে সন্ধ্যা নেমেছে। কিছুক্ষণ আগে মাগরিবের নামাজ শেষ হয়েছে। রাস্তার বাতিগুলো তখনও জ্বলেনি। আজিমপুর পুরাতন কবরস্থানের ভেতরে চারপাশে আবছা অন্ধকার।

কবরস্থানের মাঝামাঝি স্থানে জানাজা ঘরের পাশেই একটি কবরের কাছে আলো জ্বলতে দেখা যায়। কবরটির চারদিকে হলুদ কাপড় দিয়ে ঘেরা। কবরটি রুপালী রঙয়ের চাটাই দিয়ে মোড়ানো। চাটাইয়ের ওপর হলুদ গাদা ফুলের মালা। কবরের পাশে জ্বালানো আগরবাতি থেকে ধোঁয়া উঠছে। কবরের পাশে চুপচাপ বসে আছেন দুই তরুণ।

স্বজনের কবর জিয়ারতের জন্য যারা এসেছিলেন তারা অনেকটা বিস্মিত দৃষ্টিতে দেখছিলেন। এ প্রতিবেদকও কৌতুহলবশত এগিয়ে যান। কবরটির সাইনবোর্ডের ওপরে লেখা ‘আল্লাহু আকবর।’ ‘আল্লাহু আকবর’র মাঝে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রহিম।’ এর নীচে বড় বড় হরফে লেখা মাজার শরীফ, ইয়া আলী মাওলা মাদাদা, হযরত সুফী সৈয়দ মনুশাহ কালান্দার (রা:)।

মন্টু ও কামাল নামে ওই দুই যুবকের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, রাজধানীর বেগম বাজারের বাসিন্দা মনুশাহ একজন পীর ছিলেন। দুই দশকের বেশি সময় আগে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। স্থানীয় বাসিন্দা যারা তার সান্নিধ্যে এসেছিলেন তাদের মাধ্যমেই আশপাশের বহু এলাকার মানুষজন মনুশাহ সম্পর্কে জানতে পেরে তার মুরিদ হন।

তার মৃত্যুর পর মুরিদ ও ভক্তরাই নিয়মিত কবর জিয়ারত করতে আসেন। বিশেষ করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বেশি মানুষ আসেন।

মন্টু ও কামাল জানান, কোনো কারণে মন খারাপ হলে তারা তাদের মনুবাবার কবর জিয়ারত করতে ছুটে আসেন। তার কবরের সামনে এসে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসলেই মন ভালো হয়ে যায়। শুধু তারা একাই নন, তাদের মতো অসংখ্য ভক্ত অনুরাগীই নিয়মিত মনুশাহ’র কবর জিয়ারত করতে আসেন বলে তারা জানান।


প্রকাশক/সম্পাদক: আবুল হারিস রিকাবদার
প্রকাশক ও সম্পাদক কর্তৃক প্রথম বাংলাদেশ/শিবপুর, নরসিংদী থেকে প্রকাশিত
ফোনঃ বার্তা-০১৭০০-০০০০০০, বিজ্ঞাপন-০১৯০০-০০০০০০, ই-মেইলঃ prothombangladeshnews@gmail.com