জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘গ্রেপ্তারের আগে আরও সতকর্তা অবলম্বন করুন। কোনো নিরপরাধ লোক যেন গ্রেপ্তার না হয়, সেজন্যও বিশেষ সতর্কতা থাকতে হবে। কোনো নিরপরাধ লোক গ্রেপ্তার হলে, যিনি গ্রেপ্তার করছেন, তাকেও বিচারকের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে।’ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জাতিসংঘের সবর্জনীন মানবাধিকার (ইউপিআর) পর্যবেক্ষণ কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে আলোচনা সভার আয়োজন করে বেসরকারি সংস্থা আটির্কল নাইনটিন। ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনের সহায়তায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আটির্কল নাইনটিনের আঞ্চলিক পরিচালক ফারুক ফয়সাল, ফ্রন্ট লাইন ডিফেন্ডারের এশিয়া বিভাগের সুরক্ষা সমন্বয়ক সাইয়েদ আহমেদ, আটির্কল নাইনটিনের প্রোগ্রাম অফিসার আনোয়ার রোজেন প্রমুখ। কাজী রিয়াজুল হক বলেন, কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন গ্রেপ্তার না হয় সেদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিশেষ সতকর্তা অবলম্বন করতে হবে। আর কোনো জাহালম যেন গ্রেপ্তার না হয়। আর কোনো বাদল ফরাজী যেন গ্রেপ্তার না হয়। নিরপরাধ মানুষ গ্রেপ্তার হলে, তার জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট হয়। তাই কোনো নিরপরাধ লোক গ্রেপ্তার হলে, যিনি গ্রেপ্তার করছেন, তাকেও বিচারকের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। তিনি বলেন, কক্সবাজারের কারাগারে ধারণক্ষমতা ৫৭০ জন। অথচ সেখানে বন্দি ৪ হাজার ২০০ জন। ধারণক্ষমতার ৮ গুণ বেশি মানুষ সেখানের কারাগারে রয়েছেন। তাই গ্রেপ্তারের আগে যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে অন্য বক্তারা বাংলাদেশের সবর্জনীন মানবাধিকার, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, ধমীর্য় স্বাধীনতা ইত্যাদি বিষয়ে মতামত দেন।