আসাদুল (৩২), সম্ভাবনাময় একজন টগবগে যুবকের নাম। জীবন-জীবিকার তাগিদে ও একটি সুন্দর আগামীর লক্ষ্যে, জামালপুরের সরিষাবাড়ী থেকে প্রায় বছর পাঁচেক আগে, দু’চোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে রাজধানী ঢাকা শহরে এসেছিলো সে। স্ত্রী নিশি আক্তারকে নিয়ে সুখেই দিন কাটছিলো দিনমজুর আসাদুলের। সারাদিন হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমে স্বপ্নগুলো যখন একে একে ধরা দিচ্ছিলো তার কাছে, ঠিক তখনই, ‘বিনা মেঘে বজ্রপাত’র মতো একটি সড়ক দুর্ঘটনাই তার স্বপ্নকে নিমিষেই দুঃস্বপ্নে পরিণত করে দিয়েছে। দুর্ঘটনায় তার ডান পা থেতলে যায়, ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যায় পায়ের হাড়। প্রথমে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (পঙ্গু হাসপাতাল) এ চিকিৎসা নিলেও বর্তমানে অর্থাভাবে হাসপাতাল ছেড়ে, নিজ বাড়িতে চলে আসতে বাধ্য হয়েছে আসাদুল। নববিবাহিত স্ত্রী নিশি আক্তার ও আসাদুলের চোখে ভর করেছে দুঃশ্চিন্তার ছায়া। ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক সফল অস্ত্রোপচার, ঔষধ-পথ্য, চিকিৎসার ব্যয় বাবদ প্রায় আড়াই লাখ টাকার প্রয়োজন। নতুবা তার পা কেটে ফেলা ছাড়া কোনও উপায় নেই। সহায় সম্বলহীন আসাদুল কিংবা তার অসহায় পিতা লেবু মিয়ার পক্ষে এ টাকা যোগাড় করার কোনও পথ খোলা নেই। প্রতিদিন যে পরিমাণ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এন্টিবায়োটিক তার গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা কেনার সামর্থ্যও নেই এক সময়ের খেটে খাওয়া, চরম আত্ম-সম্মানবোধসম্পন্ন আসাদুলের। অত্যন্ত বিনয়ী এ যুবকটি, ফ্যাল ফ্যাল করে যখন উদাস দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে, তখন তা দেখে যে কারোরই মনটা বিমর্ষ হয়ে যায়। জরুরী ভিত্তিতে তার সুচিকিৎসা দেওয়া না গেলে, হয়তো তার ডান পা’টি কেটেই ফেলতে হবে। আসাদুল আর কোনও দিনই দু’পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়াতে পারবেনা। থেমে যাবে তার স্বপ্নের পথচলা! বর্তমানে ঢাকার উত্তরার, দক্ষিণ খানের চালাবন্দের বাড়িতে শুয়ে থাকে অসহায়ভাবে, আর তার দু’চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ে হতাশার নোনাজল। আসাদুলের স্ত্রী নিশি আক্তার তার স্বামীর সুচিকিৎসার জন্য, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিবর্গসহ দানশীল সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
আসাদুলকে সাহায্য পাঠাবার বিকাশ নম্বর ০১৯৮২- ৯৪৬৪৩১।