logo
আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৯:৫৮
ভারতের সঙ্গে বৈঠক স্থগিতে এনআরসির সম্পর্ক নেই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
প্রথম বাংলাদেশ ডেস্ক

ভারতের সঙ্গে বৈঠক স্থগিতে এনআরসির সম্পর্ক নেই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ নদী কমিশনের পূর্বনির্ধারিত বৈঠক স্থগিত হওয়ার সঙ্গে ভারতের জাতীয় নাগরিক নিবন্ধনের (এনআরসি) কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘বেইজিং ঘোষণার’ ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে এ কথা জানান তিনি।

১৮ ডিসেম্বর থেকে নয়াদিল্লিতে দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। শেষ মুহূর্তে এ বৈঠক স্থগিত হয়।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে ছয়টা নদীর অবকাঠামোর বিষয়ে আলাপ হয়েছে। অনেকগুলো তথ্য পুরোপুরি সংগ্রহ করা হয়নি। সেজন্য একটু পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। দু-পক্ষের সমঝোতার মাধ্যমে এ বৈঠক পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ, তথ্য ঠিকমতো না থাকলে আলোচনা ফলপ্রসূ হবে না।’

কবে এ বৈঠক হবে? এ সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা হোমওয়ার্কের ওপর নির্ভর করে। অনেক তথ্য আমরা সংগ্রহ করেছিলাম। পরে মনে হয়েছে কোথাও কোথাও ঘাটতি আছে। এ জন্য এখন আবার যাচাই-বাছাই করা হবে।’

ড. মোমেন বলেন, ‘এনআরসি বাংলাদেশকে কোনোভাবে প্রভাবিত করবে না বলে আমাদের বারবার আশ্বস্ত করেছে ভারত। আমরা তাদের বিশ্বাস করতে চাই।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আপনাদের (সাংবাদিকদের) মুখে শুনেছি, (সীমান্ত দিয়ে) কিছু কিছু অবৈধ বাংলাদেশি ফেরত আসছে। ভারত সরকার বলেছে, আমরা কাউকে পুশ করছি না। আমরা বলেছি, আমাদের কোনো অবৈধ নাগরিক আপনাদের দেশে থাকলে আমাদের জানাবেন। আমরা যাচাই-বাছাই শেষে অবশ্যই তাদের ফেরত নেব।’

ভারতে চলমান আন্দোলন ও বিশৃঙ্খলার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ভারত আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। ঐতিহাসিকভাবে তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো। তাদের দেশে কোনো বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে তার প্রভাব আমাদের দেশেও পড়ে। এ জন্য আমরা চাই, সারা ভারতবর্ষে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় থাকুক।’

রাজাকারের তালিকা সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এ তালিকা আরও আগে হলে ভালো হত। তবে দুর্ভাগ্যবশত ৭৫-এর পরে যে সমস্ত সরকার ছিল তারা এগুলো ইগনোর করেছে।’

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি প্রকাশিত তালিকাতে কিছুটা দুর্বলতা আছে। সেটা আমরা দূর করব। তবে প্রক্রিয়া চালু হয়েছে সেটা ভালো।’

অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় ড. মোমেন বলেন, ‘২০২০ সাল হবে নারীর ক্ষমতায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর। ২০২০ সালে বেইজিং ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনার (বেইজিং পিএফএ) ২৫ বছর পূর্ণ হবে। ১৯৯৫ সালে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে জাতিসংঘ আয়োজিত চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলনে নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।’

ড. ফাওজিয়া মোসলেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান।


প্রকাশক/সম্পাদক: আবুল হারিস রিকাবদার
প্রকাশক ও সম্পাদক কর্তৃক প্রথম বাংলাদেশ/শিবপুর, নরসিংদী থেকে প্রকাশিত
ফোনঃ বার্তা-০১৭০০-০০০০০০, বিজ্ঞাপন-০১৯০০-০০০০০০, ই-মেইলঃ prothombangladeshnews@gmail.com