ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীর ধর্ষক মজনুকে একজন সিরিয়াল রেপিস্ট বলে সম্বোধন করেছে র্যাব। তিনি বলেন, ‘সে আমাদের কাছে স্বীকার করেছে সে এর আগেও এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে। সে ভিক্ষুক নারী থেকে শুরু করে প্রতিবন্ধী নারী ও শিশুকেও ধর্ষণ করেছে।’ এসময় তিনি আরও জানায়, ধর্ষণ করার পর মেয়েটির মোবাইলটি মজনু বিক্রি করে দেন। আজ বুধবার (৮ জানুয়ারি) দুপুর দুইটায় এ বিষয়ে র্যাব মিডিয়া সেন্টার, কারওয়ান বাজারে মিডিয়া ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানায় র্যাব।মজনুর ব্যপারে র্যাব আরও জানায়,’ মজনু আমাদের বলেছে তিনি এর আগে অনেকবার প্রতিবন্ধী শিশুকে ধরে এ ধরণের ঘটনা ঘটিয়েছে। তার টার্গেট থাকতো স্টেশন, ফুটওভারব্রিজ- এই ধরণের স্থানগুলো। সে এও জানায়, এবারই প্রথম সে প্রতিবন্ধী ছাড়া স্বাভাবিক কাউকে ধর্ষণ করেছে।’আটক মজনু মূলত ভবঘুরে। বিমানবনদর রেল স্টেশনের বগিতে থাকত সে। এছাড়া গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির কাছ থেকে ছাত্রীর মোবাইল ফোনসহ মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব। এর আগে বুধবার সকালে সন্দেহভাজন ধর্ষককে আটকের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান। গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাতটার দিকে কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ডে ঢাবির বাস থেকে নামার পর ওই ছাত্রীকে মুখ চেপে রাস্তার পাশে নিয়ে যায় অজ্ঞাত ব্যক্তি। সেখানে তাকে শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করা হয়।