logo
আপডেট : ২০ মে, ২০২০ ২০:১৫
২ ঘণ্টায় নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে
নিজস্ব প্রতিবেদক

২ ঘণ্টায় নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে


বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মাত্র ২ ঘণ্টার ব্যবধানে বুধবার দুপুর ২টার পর থেকে কীর্তনখোলার পানি বিপদসীমা (২.৫৫ সেন্টিমিটার) ছাড়িয়ে যায়।
বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী মো. জাভেদ জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাব ও অমাবস্যার জো’র কারণে নদ-নদীর পানি বাড়ছে। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় জোয়ারে নদ-নদীর পানির উচ্চতা বেড়েছে ৪ থেকে ৫ ফুট। জোয়ার থাকাবস্থায় ঘূর্ণিঝড় উপকূলে আঘাত হানলে ১৫ থেকে ২০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছাস হওয়ার আশংকা করছেন তারা।
এদিকে অমাবস্যার জো এবং আম্ফানের প্রভাবে নদ-নদীতে পানি থই থই করছে। খালসহ বিভিন্ন শাখা ও প্রবাহ দিয়ে নদীর পানি গ্রামেগঞ্জে লোকালয়ে ঢুকে যাচ্ছে।
নিম্নাঞ্চল ও নিচু এলাকা তলিয়ে গেছে। এতে কৃষি ক্ষেতে থাকা বোরো ধান, মুগডাল এবং কাঁচা মরিচের ক্ষতি হয়েছে। ভেসে যাচ্ছে বহু পুকুর ও ঘেরের মাছে। বরিশাল নগরীতেও বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

কীর্তনখোলা নদী ছাড়াও বাকেরগঞ্জের কারখানা নদীর পানি বিপদসীমার (২.৪০ সেন্টিমিটার) ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সকাল থেকে কয়েকবার সূর্য্য উকি দিলেও দুপুরের পর থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি আবোর কখনও ভারী বৃষ্টি হয় বরিশালে। সাথে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায়। আম্ফানের প্রভাবে নদ-নদী উত্তাল অবস্থায় রয়েছে।


প্রকাশক/সম্পাদক: আবুল হারিস রিকাবদার
প্রকাশক ও সম্পাদক কর্তৃক প্রথম বাংলাদেশ/শিবপুর, নরসিংদী থেকে প্রকাশিত
ফোনঃ বার্তা-০১৭০০-০০০০০০, বিজ্ঞাপন-০১৯০০-০০০০০০, ই-মেইলঃ prothombangladeshnews@gmail.com