সুপার সাইক্লোন আম্পান-এর প্রভাবে সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি এলাকায় ঝড়ে গাছের ডাল ভেঙে পরে ৫ বছরের শিশু রাশেদ মারা গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন ওসি মো. মনিরুল ইসলাম।
জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে কলাপাড়া, গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী উপজেলার অন্তত ১৭টি গ্রাম।
চরাঞ্চলসহ দুর্গম অঞ্চলের বেশ কিছু মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। আম্পানের ক্ষয়-ক্ষতি মনিটরিং করার জন্য জেলা ও উপজেলায় ১০টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। জেলায় মোট ৭৫২টি আশ্রয় কেন্দ্রে পর্যাপ্ত শুকনা খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। সিভিল সার্জনের পক্ষ থেকে ৩২৫টি ম্যডিকেল টিম করছে। পায়রা বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সতর্কাবস্থানে রয়েছে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বন্দরের সকল কার্যক্রম।
আম্ফান মোকাবেলায় কাজ করছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি, কোস্টগার্ড, ফায়ার কর্মী, আনসার, স্বেচ্ছাসেবী সদস্যসহ সংশ্লিস্টরা। বেশ কিছু মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। উচ্চ জোয়ারে নদী-নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৪-৫ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় অর্ধশত চরসহ নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।