ঢাকা, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
আপডেট : ১৫ অক্টোবর, ২০২০ ১২:৩৮

সিলেটের বিশ্বনাথে এক মাসেও পিয়াজের কমেনি ঝাঁজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেটের বিশ্বনাথে এক মাসেও পিয়াজের কমেনি ঝাঁজ


ভারত রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পরদিন ১৫ সেপ্টেম্বর হঠাৎই দ্বিগুন হয়ে যায় পিয়াজের দাম। ওইদিন সকালে সিলেটের বিশ্বনাথের বাজারে ৪০ টাকায় বিক্রি হওয়া পিয়াজের দাম বিকেলে বেড়ে দাঁড়ায় ৮০ টাকায়। এরপর বিভিন্ন সময়ে শতকও ছাড়িয়ে যায় দাম। বর্তমানে দেশি পিয়াজই বিক্রি হচ্ছে ৯০-১০০ টাকায়। আমদানি করা পিয়াজের দাম হাকা হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকা পর্যন্ত। সরকারে নানা উদ্যোগের এক মাসেও কমেনি পিয়াজের ঝাঁজ। অপরিবর্তিতই রয়েছে পাইকারি ও খুচরা বাজারে দেশি ও আমদানি করা পিয়াজের মূল্য। এতে নাভিশ্বাস উঠেছে ভোক্তাদের। এ পরিস্থিতির জন্যে দুর্বল তদারকিই দায়ী বলে করছেন তারা।
সরেজমিন বাজার ঘুরে দেয়া গেছে, উপজেলা সদরের নতুনবাজার ও পুরাতনবাজারে বর্তমানে আমদানি করা পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকা পর্যন্ত। আর দেশি পিয়াজ ৯০-১০০ টাকায়। ফলে বাধ্য হয়েই নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্য কিনতে বাড়তি টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে ভোক্তাদের। দাম বৃদ্ধি পাওয়ার শুরতে কয়েকদিন সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বিশ্বনাথে ট্রাক সেলে ন্যায্যমূল্যে পিয়াজ বিক্রি করলেও এখন আর তাদের কার্যক্রম অনেকটা অনিয়মিত। এতে চরম বেকায়দায় পড়েছেন ভোক্তা সাধারণ।
ভোক্তা আজাদুর রহমান বলেন, ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে পিয়াজের দাম। দ্বিগুণ অর্থ ব্যয়ে পিয়াজ কেনা সম্ভব নয়। এত দিনেও কেন এ অবস্থায় পরিবর্তন হয়নি? যারা অতি মুনাফার লোভে দাম বাড়িয়ে বাজার চড়া করেছে তাদের ধরা কি এতই কঠিন?
ব্যবসায়ীরা জানান, দাম বেশি হাওয়ায় পিয়াজ বিক্রি আগের মতো হচ্ছে না। আমরা যে দামে ক্রয় করেছি তার থেকে নির্দিষ্ট হার লাভে বিক্রি করছি। এখানে আমাদের কোন দায় নেই।
এ বিষয়ে বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্ণালী পাল ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’কে বলেন, ক্রয়মূল্য থেকে সরকার নির্ধারিত মুনাফার বাইরে অধিক অর্থ নেয়ার কোন সুযোগ নেই। এর বাইরে কেউ দাম বৃদ্ধি করলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।  

উপরে